মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১০:১৮ পূর্বাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।
শিরোনাম :
চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিত করার তাগিদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মাতারবাড়িতে প্রধানমন্ত্রী, পরিদর্শন করবেন কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গভীর সমুদ্রবন্দর পুটিবিলা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ সাময়িক বরখাস্ত আন্তর্জাতিক এ্যামোনেষ্টির হিউম্যান রাইটস একাডেমি থেকে বিরল সম্মাননা অর্জন করলেন ফারুক ইকবাল  টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় স্বাধীন, শক্তিশালী গণমাধ্যমের বিকল্প নেই: মির্জা ফখরুল প্যারাসেইলিং মালিক ফরিদ ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার আওয়ামী লীগের উঁকিঝুঁকিকে গুরুত্ব দিচ্ছেনা সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈকতে পানিতে ডুবে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

মহেশখালীতে ভাঙারির দোকান থেকে দুই হাজার নতুন পাঠ্যবই জব্দ

ভয়েস প্রতিবেদক:

মহেশখালীতে একটি ভাঙারির দোকান থেকে ২০২২ সালের দুই হাজার সরকারি পাঠ্যবই জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজারের নেতৃত্বে যৌথ অভিযান এ বইগুলো জব্দ করা হয়।

ঘটনাটি ঘটেছে, উপজেলার বড় মহেশখালী ইউনিয়নের ফকিরাঘোনা গ্রামে।

মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হাই সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের বরাতে ওসি আবদুল হাই জানান, বড় মহেশখালী ফকিরাঘোনার মোহাম্মদ ছিদ্দিকের মালিকানাধীন একটি ভাঙারির দোকানে রুবেল নামের এক ব্যক্তি চলতি ২০২২ সালের প্রায় ২ হাজার পাঠ্যবই বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন। নতুন বই দেখে দোকান মালিকের ওই বিক্রেতার প্রতি সন্দেহ হয়। এরপর তিনি বিষয়টি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ বরাবর জানায়। পরে কয়েকজন গ্রাম পুলিশ সদস্য ওই দোকানে গিয়ে বইগুলো তাদের জিম্মায় নেন।

“গ্রাম পুলিশ সদস্য মোহাম্মদ সোলাইমানসহ অন্যরা দুই হাজার কপির মতো নতুন বই তাদের হেফাজতে রাখেন।এরপর পুলিশকে খবর দেন। পরে সকালে অভিযান চালিয়ে বইগুলো উদ্ধার করে পুলিশ ।”

দোকান মালিক মোহাম্মদ ছিদ্দিক জানান, কুলালপাড়ার মো. মনজুরের পুত্র মোহাম্মদ রুবেল রবিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিক্রির জন্য বইগুলো নিয়ে আসেন।বইগুলো দোকানে রেখে একপর্যায়ে সে সরে যায়। সন্দেহ হলে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ সদস্যদের বিষয়টি অবগত করেন তিনি।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হাই জানান, সরকারি বই বিক্রি করে দেয়া খুবই দুঃখজনক কাজ। তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মহেশখালী উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মো. ফজলুল করিম জানান, ঘটনাটি শোনার সাথে সাথে বইয়ের গুদামসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে খোঁজ নিই। কোথাও থেকে বই চুরি হয়নি। তবে যে ব্যক্তি বিক্রির জন্য নিয়ে গেছে তাকে বের করে ঘটনার সত্যতা উদঘাটন করতে হবে। পাশাপাশি জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেব।

ভয়েস/আআ

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION